সল্টলেকের গেস্ট হাউসে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত রাজ্য পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর (এএসআই) পদে কর্মরত। বীরভূমের নলহাটি থানায় পোস্টিং। তাঁকে মুম্বইয়ের বান্দ্রা থেকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ। ট্রানজ়িট রিমান্ডে অভিযুক্তকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে বিধাননগর আদালতে হাজিরও করানো হয়েছে মঙ্গলবার।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি চলতি বছরের ১৯ জুনের। জুলাই মাসে ‘নির্যাতিতা’ তরুণী বিধাননগর পূর্ব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, সল্টলেকের সিএল ব্লকের একটি গেস্ট হাউসে তিনি গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করেন নলহাটি থানার ওই পুলিশকর্মী। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, ওই মামলায় আগাম জামিন নিয়েছিলেন অভিযুক্ত এএসআই। কিন্তু অভিযুক্তের কোনও খোঁজ মিলছিল না। তিনি আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এর পর বীরভূম জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিধাননগর পূর্ব থানার তদন্তকারীরা।
সম্প্রতি বিধাননগর পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে, অভিযুক্ত মুম্বইয়ে আত্মগোপন করে রয়েছেন। তার পরে সোমবার মুম্বই থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিধাননগর পুলিশ। আদালতের কাছে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে জেরা করার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।র
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি চলতি বছরের ১৯ জুনের। জুলাই মাসে ‘নির্যাতিতা’ তরুণী বিধাননগর পূর্ব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, সল্টলেকের সিএল ব্লকের একটি গেস্ট হাউসে তিনি গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করেন নলহাটি থানার ওই পুলিশকর্মী। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ।
তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, ওই মামলায় আগাম জামিন নিয়েছিলেন অভিযুক্ত এএসআই। কিন্তু অভিযুক্তের কোনও খোঁজ মিলছিল না। তিনি আদালতের নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এর পর বীরভূম জেলা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিধাননগর পূর্ব থানার তদন্তকারীরা।
সম্প্রতি বিধাননগর পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে, অভিযুক্ত মুম্বইয়ে আত্মগোপন করে রয়েছেন। তার পরে সোমবার মুম্বই থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে বিধাননগর পুলিশ। আদালতের কাছে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে জেরা করার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।র
আন্তজার্তিক ডেস্ক